
ছবি:প্রভাতখুলনা-টেকনাফের সাবেক এমপি বদী মাদক সম্রাট
নিজস্ব প্রতিবেদক : খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) নবনিযুক্ত সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) রোকনুজ্জামানের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও নারীঘটিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীর দাবি, তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে একাধিক মামলা, বিভাগীয় তদন্ত ও সদর দপ্তরের প্রতিবেদনে দুর্নীতির প্রমাণ থাকলেও তিনি এখনো কর্মরত আছেন।
অভিযোগকারীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এসআই রোকনুজ্জামান টেকনাফে দায়িত্ব পালনকালে সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদী ও তার পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি যুবলীগের স্থানীয় কয়েকজন নেতার সহযোগিতায় ইয়াবা ও অন্যান্য মাদকের ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। এমনকি বিভিন্ন সময়ে অনলাইন মেসেঞ্জারে মাদকের দাম আলোচনা ও ছবি পাঠানোর প্রমাণও রয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি।
শুধু মাদক নয়, নারীদের সঙ্গে অনৈতিক যোগাযোগ, ভিডিও কলে কথোপকথন এবং একাধিক স্থিরচিত্রও অভিযোগকারীর হাতে আছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া রোকনুজ্জামানের বিরুদ্ধে চারটি মামলা আমলে নেওয়া হলেও প্রভাব খাটিয়ে তিনি দায় এড়াতে সক্ষম হয়েছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এমনকি পিবিআই সদর দপ্তর থেকেও তার বিরুদ্ধে একটি তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছিল, যার ভিত্তিতে তাকে চট্টগ্রাম থেকে বদলি করে সম্প্রতি খুলনা কেএমপিতে পোস্টিং দেওয়া হয়।
অভিযোগকারী জানান, এসআই রোকনুজ্জামানের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা থানার সিংহ নগর গ্রামে। পরিবারের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধেও একাধিক মামলা রয়েছে।
এসব অভিযোগের সমর্থনে অভিযোগকারীর হাতে ছবি, স্ক্রিনশট ও বিভিন্ন ডকুমেন্টস রয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে এ বিষয়ে এসআই রোকনুজ্জামানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

