

মায়াবতীর জন্ম রহস্যঝড়ের এক গভীর রাতে জন্ম নিয়েছিল মায়াবতী।
আকাশে বিদ্যুতের ঝলকানি,
বাতাসে অজানা এক ভয়,
আর চারপাশে নিস্তব্ধতার চাদর।
গ্রামের সবচেয়ে পুরনো বাড়ির এক ঘরে, যেখানে আলো কম আর রহস্য বেশি, সেখানেই প্রথম কান্না শোনা গিয়েছিল তার।
মায়াবতীর মা – এক অজানা নারী,
যার সম্পর্কে কেউ কিছু জানত না।
তিনি এসেছিলেন হুট করেই, আবার হারিয়েও গিয়েছিলেন এক রাতের মধ্যেই। লোকজন বলত, সে যেন ছায়ার ভেতর থেকে উঠে আসা এক মায়া।
শিশুটিকে রেখে সে কোথায় উধাও হলো, কেউ তা জানে না।
শুধু একটা কথা বাতাসে ভাসতে লাগল—
” ওর জন্ম সাধারণ নয়! ”
বৃদ্ধা মনোহরা, যে মায়াবতীকে লালন-পালন করেছিল, সে প্রায়ই বলত—
” তোর চোখে এক অদ্ভুত রহস্য আছে রে মা! যেন তুই এই পৃথিবীর কেউ নস! ”
মায়াবতী কখনো এসব কথার মানে বোঝেনি। কিন্তু বড় হতে হতে সে অনুভব করল,
তার আশপাশে সবকিছু যেন কেমন অদ্ভুত! যেন একটা অদৃশ্য শক্তি সবসময় তাকে অনুসরণ করছে,
যেন তার অস্তিত্বের পেছনে লুকিয়ে আছে এমন কিছু, যা সে নিজেও জানে না…।
” কিছু জন্ম শুধু রক্ত-মাংসের হয় না, কিছু জন্ম হয় এক শূন্যতার মাঝে— যার কোনো শুরু নেই, কোনো শেষও নেই! ”
মোরছালিন আহমেদ তুহিন
১০ম শ্রেণি (বিজ্ঞান বিভাগ)
মডেল একাডেমি, মিরপুর – ১, ঢাকা।