রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
Headline
Wellcome to our website...
খুলনায় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন #ছাত্রলীগ নেতাকে হত্যার হুমকি
/ ২৮৫ Time View
Update : সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০২৪, ১:১১ অপরাহ্ন

ওয়ার্ড কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
#ছাত্রলীগ নেতাকে হত্যার হুমকি

খুলনা প্রতিনিধিঃ চরমপন্থী নেতা নাসিম ও ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম রব্বানী টিপু হত্যার হুমকি দিয়েছেন মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি শেখ জাফরিন হাসানকে। রবিবার খুলনা প্রেসক্লাবে লিখিত সংবাদ সম্মেলনে এ আভিযোগ করেন তিনি। এসময় তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে খানজাহানআলী থানায় ষড়যন্ত্রমুলক মামলা হয়। যার প্রেক্ষিতে ২১ জুন গ্রেফতার করা হয় আমাকে। সাদিয়া সুলতানা ইতি নামের এক মহিলা এ মামলা করেছে। তিনি মাদক কারবারি চক্রের সাথে জড়িত। এই মহিলা ইতিপূর্বে তিনটি বিয়ে করেছে। তার স্বামীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়ে ডির্ভোস দেয়। এটাই এর পেশা। এসব অবৈধ উপার্জনের টাকায় এই মেয়ে পাঁচতলা ফাউন্ডেশন দিয়ে বাড়ি তৈরী করছে। কেডিএ এর নিয়ম না মেনে প্লান ভেঙ্গে বাড়িটি নির্মাণ করছে। প্রতিবেশি কালাম কেডিএ’র কাছে অভিযোগ করলে নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ প্রত্যাহার করার জন্য কালামকে হুমকি দেয়। এরপর কালাম আমাকে জানায়। আমি ৩ জুন মুরুব্বিদের সাথে নিয়ে কালামদের বাড়িতে তার পরিবারকে ডাকাই। তাদের বলা হয়, কেডিএ এর নিয়ম অনুযায়ী বাড়ি নিমার্ণ করো। তখন ইতি আমাকে বলে- আমি কাজ করছি, করব। তুই আমাকে চিনিস। আমি চাইলে তোর নামে একাধিক মামলা দিতে পারি বা তোকে মাডার করিয়েও দিতে পারি। তুই আমার বিচার করতে আইছিস। তখন আমি তাকে বলি, গত ৮ জুন বিকাল ৫ টায় এলাকার চেয়ারম্যান, মেম্বার ও গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের সালিসে ডাকেন। যেখানে আমিও থাকব। এরপর আমার মুঠোফোনে ফোন দিয়ে বলে আমি কাউন্সিলর টিপু- ইতি আমার লোক, তার বিরুদ্ধে বিচার করতে গেলে মারা পড়ে যাবি। এরপর আমার মুঠোফোনে হুমকি দিয়ে বলে, আমি পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির খুলনা বিভাগীয় প্রধান নেতা নাসিম, ইতি আমার লোক, ওর বিষয়ে শালিস করতে যাস না, তাহলে বিপদে পড়ে যাবি। এর প্রেক্ষিতে ১৫ জুন খানজাহানআলী থানায় এই বিষয়ে সাধারণ ডায়েরী করতে যাই। কিন্তু পুলিশ জিডি নেয়নি। ৬ জুন ইতি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা জিডি করে। এরপর আমরা ৮ জুন খানজাহানআলী থানায় আ’লীগের সাঃ সম্পাদক শেখ আনিচুর রহমানের উপস্থিতিতে শালিস করি। শালিসে এই মেয়েকে কেডিএ এর নিয়ম অনুযায়ী বাড়ি নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। এরপর ঐ মেয়ের দায়ের করা জিডি ২০ জুন আদালত খারিজ করে দেয়। ঐ দিন রাতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে। মামলার ঘটনা লেখা ৭ জুন। আমরা যে শালিস করেছি তার আগের দিন রাতে। তাহলে আমি তার পরের দিন বিকালে তার বাড়ির সামনে গণ্যমান্য মানুষের উপস্থিতিতে কিভাবে শালিস করলাম। তখন তো ওই মেয়ে বা তার পরিবার শালিশদারদের কাছে কিছুই বলেনি। মামলার তারিখ অনুযায়ী ৭ জুন রাতে জেলা আ’লীগ নেতা কামরুজ্জামান জামাল ভাইয়ের অফিসে আমি উপস্থিত ছিলাম। আমাকে আদালত ৯ জুন জামিন দেয় ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে শোকজ করে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি নতুন করে ষড়যন্ত্রমূলক মামলার আসামী হওয়ার আশংকা করছি। এ জন্য তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন। বিষয়টি তিনি উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page