

স্টাফ রিপোর্টার ঃ কেএমপি ডিবির অভিযানে খুলনা মহানগরীর তালিকাভূক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং একাধিক মামলার আসামী কাজী ইয়াসির আরাফাত হোয়াইটকে গ্রেফতার করেছে। খুলনা মহানগর ডিবি পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) তৈমুর ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম র্যাব-৬ এর সহায়তায় গোপন সংবাদের মাধ্যমে ২৪ জানুয়ারি সকালে ফরিদপুর জেলার সদর থানাধীন চাঁদপুর এলাকা হতে তাকে গ্রেফতার করেছেন। সে খালিশপুর নয়াবাটি মোড়ের বাড়ী নং- এন,এল-২১, রোড নং-২৪১-এর বাসিন্দা কাজী খেলাফত হোসেনের ছেলে। উক্ত আসামী কাজী ইয়াসির আরাফাত ওরফে হোয়াইট(৪৪) এর বিরুদ্ধে খালিশপুর থানার মামলা নং-০৮/১০৫, তারিখ-০৬ মে ২০২২ , খালিশপুর থানার ,এফআইআর নং-১৬/৬৫, তারিখ- ২৭ মার্চ, ২০২২, খালিশপুর থানার ,এফআইআর নং-৮, তারিখ- ০৬ মে, ২০১৩, খালিশপুর থানার ,এফআইআর নং-১০, তারিখ- ১৮ এপ্রিল, ২০১৩, খালিশপুর থানার ,এফআইআর নং-১৩, তারিখ- ১৬ ফেব্রুয়ারি’১১, খালিশপুর থানার ,এফআইআর নং-৪, তারিখ- ২১ আগস্ট’২৪, খালিশপুর থানার ,এফআইআর নং-৫, তারিখ- ২৩ আগস্ট’২৪ এবং খালিশপুর থানার,এফআইআর নং-২, তারিখ- ১৪ আগস্ট’২৪এর এজাহার নামীয় আসামী। জুলাই-আগস্টে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমানোর জন্য তার সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ ও যুবলীগ ক্যাডারদের সহযোগীয়তায় আন্দোলন ব্যাহত করতে বিভিন্ন প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করে বলে সূত্র জানায় । তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। সে তালিকাভুক্ত মাদক বিক্রেতা। আ’লীগ আমলে ছিল তার ২০/২৫ জনের বিশাল বাহিনী। যারা মাদক বিক্রি, চাঁদাবাজি, দখলবাজিসহ এহেন কোন অপরাধ ছিল না যা তারা করতো না। তার এ বাহিনী নিয়ে এলাকায় একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ গড়ে তোলে। খালিশপুর পৌর সুপার মাকের্টের নির্যাতিত ব্যবসায়ীরা জানান, হোয়াইট যখন মার্কেটে স্ব ঘোষিক সাঃ সম্পাদক ছিল তখন ব্যবসায়ীদের নানা ধরনের অনৈতিক দাবিতে নির্যাতন করতো। তার অত্যাচারে ব্যবসায়ীরা ছিলেন অতিষ্ঠ। তার কথা না শুনার কারণে আঃ রাজ্জাক মিন্টু নামের একজন সাধারণ ব্যবসায়ীকে জামায়াত ইসলামী করে বলে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করায়। কয়েক দিন কারাবাস শেষে মিন্টু জামিন পান। শুধু মিন্টু একা নয়, এভাবে তার কথা না শুনলে বাজারের সাধারণ ব্যবসায়ীর ওপর নেমে আসতো নির্মম নির্যাতন। বিএনপি নেতা রেজাউল করিম স্বপন বলেন, সন্ত্রাসী হোয়াইট ছিল এলাকার এক আতংকের নাম। তার ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পেত না। বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে সে নিজে এলাকায় গড়ে তোলে সন্ত্রাসী বাহিনী। তার অত্যাচারের বিগত সময়ে বিএনপির অনেক নেতা-কর্মী এলাকা ছেড়েছে। চাঁদাবাজি ছিল তার নিত্যনৈমিত্ত ব্যাপার। তাকে গ্রেফতার করায় তিনি পুলিশকে ধন্যবাদ জানান।